কালকে যিনি হরণ করেন তিনি কালী। কালের কবলে পড়ে বিনাশ হয়নি ,এমন বস্তু এই জগতে নেই। তাই কালের সঙ্গে কালীর সম্পর্ক চিরন্তন এবং চির মাধুর্যময়। এই কালকে যিনি শাসন ও নিয়ন্ত্রণ করেন যিনি সেই কালিকা , দেখতে ভয়ংকর হলেও তিনি আমাদের কাছে অত্যন্ত কাছের, অতি আপন, আমাদের ভালবাসার ও শ্রদ্ধার জগতের মঙ্গলময়ী মা। দশমহাবিদ্যার প্রথম রুপ কালী স্বয়ং ব্রহ্মশক্তি । স্বয়ং মহাকাল শিব মায়ের পদতলে বিরাজ করছেন। তিনি সবরূপে নির্গুন। পরমসত্ত্বা তাঁর উপর দন্ডয়মান। জগতের সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের কর্তী। চৈতন্য রূপী কালী। এই কালী আবার জীবের কর্মফল দানকারী। কর্মফল অনুযায়ী ভাল-মন্দ ফল দান করেন। মহাকালী একাধারে ভয়ংকরী , অন্যদিকে অপার করুনাময়ী।
হিন্দুধর্মে বিভিন্ন তিথিতে মা কালীর বিভিন্ন রূপের পূজো করা হয়। দেবীর আরধনা সর্বজনবিধিত। জৈষ্ঠ মাসের আমাবস্যা তিথিতে ফলহারিনী কালীপুজো অনুষ্ঠিত হয়। মা কালী জীবের কর্মফল অনুসারে ফলপ্রদান করেন। এই মাতৃরূপা মহাশক্তি প্রসন্না হলে জীবের দু:খ ও দুর্দশা থেকে মুক্তি মেলে। সেই সঙ্গে শারীরিক, মানসিক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি লাভ হয়।
মায়ের কাছে শ্রদ্ধা, ভক্তি, প্রেম, বিবেক, বৈরাগ্য প্রর্থনা করতে হয়। দেবী কালিকার বিভিন্ন নাম। কোথাও নিত্যকালী, কোথাও মহাকালী , কোথাও ভদ্রকালী, কোথাও শ্যামাকালী, কোথাও শ্মশানকালী, কোথাও রটন্তীকালী, আবার কোথাও ফলহারিনী কালী -------- এইসব বিভিন্ন নামে পূজিত হন। জৈষ্ঠ্য মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে ফলহারিনী কালী পূজো অনুষ্ঠিত হয়। এই ব্রহ্মময়ী কালী একদিকে যেমন সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ করছেন, আবার তিনিই তেমন সমস্ত কিছু শক্তি, ঞ্জান, ইচ্ছা ও কর্ম শক্তিরুপে বিরাজিতা। শাস্স্ত্রে আছে "জীবনেয সর্বস্ব " অর্থাৎ একদিকে তিনি মা ফলহারিনী, সাধকের ফল হরন করেন, আর অন্যদিকে কর্মফল হরণ করে ভক্তদের, তাদের অভিষ্ঠফল, মোক্ষফল প্রদান করেন। ফলহারিনী কালীপুজোর দিন মা কালী স্বয়ং তাঁর সন্তানদের শুভ ফল প্রদান করেন এবং সেইসঙ্গে তাদের অশুভ ফলও হরণ করে থাকেন।
দশমহাবিদ্যার যে দশটি রূপ ------- কালী, তারা, ষোড়শী, ভুবনেশ্বরী, ভৈরবী, ছিন্নমস্তা, বগলা, ধূমাবতী, মাতঙ্গী , কমলা ______ ষোড়শীর রুপটি সেই আদ্যাশক্তি মহামায়ার রূপ। কথিত আছে শ্রীরামকৃষ্ণদেব ফলহারিনী কালীপুজোর দিনই স্ত্রী সারদা দেবীকে পুজো করেছিলেন জগত কল্যাণের জন্য। এদিন শ্রীমা সারদাকে ষোড়শী রূপে পুজো করেছিলেন বলে আজও রামকৃষ্ণ মঠ ও আশ্রমে এই পুজো "ষোড়শী" পুজো নামে পরিচিত। ১৮২০ বঙ্গাব্দে জৈষ্ঠ্য মাসের আমাবস্যা তিথিতে তিনি দক্ষিণেশ্বরে আদ্যাশক্তি সগুনরূপের পুজো করেছিলেন। সেজন্য এই দিনটি অত্যন্ত শুভ ও তাৎপর্যপূর্ন। শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর মোক্ষ প্রাপ্তির জন্য বিশেষ নিয়মে পুজো করলেও এই দিনটিতে হিন্দু ধর্মালম্বীরা নানাবিধ মরসুমি ফল দিয়ে কালীপুজো করে থাকেন।
শ্রীরামকৃষ্ণের মনে জাগ্রত হয়েছে শ্রীজগদম্বাকে ষোড়শী মূর্তিতে আরাধনা করবার। তন্ত্রসাধনকালে শ্রীজগদম্বার যেসব মূর্তি তিনি দর্শন করেছিলেন------ তাঁর মধ্যে মায়ের ষোড়শী মূর্তিই তাঁর মনের মধ্যে চির জাগরুক হয়েছিল। ষোড়শীর অপর নাম শ্রীবিদ্যা বা ত্রিপুরাসুন্দরী। দশমহাবিদ্যার সকল রূপই অপূর্ব সরুপা। কিন্ত ষোড়শী মূর্তির সৌন্দর্যের সঙ্গে তাঁদের তুলনা হয় না। শ্রীরামকৃষ্ণের নিজের কথায়:: "ষোড়শী বা ত্রিপুরামূর্তির অঙ্গ হতে রূপ-সৌন্দর্য গলিত হয়ে চতুর্দিকে পতিত বিচ্ছুরিত হতে দেখেছিলাম। " শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীশ্রীমা সারদা দেবীকেই ষোড়শীমূর্তি রূপে পুজো করবার ব্রতী হয়েছেন। শ্রীশ্রীমা সারদা দেবী শ্রীরামকৃষ্ণের স্বয়ং মা জগদম্বা। শ্রীশ্রীমাও তাই দেখেন শ্রীরামকৃষ্ণকে। ইতিমধ্যে শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীশ্রীমাকে লৌকিক ও দেবজীবনোচিত সম্পদরাশিতে ভূষিত করেছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ জানতেন ধরাধামে তিনি থাকবেন না বেশিদিন, কিন্ত তার লীলা জগৎময় ছড়িয়ে দেবার জন্য শ্রীশ্রীমার প্রয়োজন এবং শ্রীশ্রীমা জগতে থাকবেন সুদীর্ঘ বছর। তাই নিজের লীলা সম্পূরনের জন্য, জনসমাজে সন্মানিত ও মহিমামন্ডিত করার জন্য, শ্রীশ্রীমাকে নিজের শক্তি বিষয়ে অবহিত করার জন্য, নারীর দেবত্বের উদ্বোধনের জন্যই শ্রীরামকৃষ্ণের ষোড়শী পূজোর আয়োজন।
১২৮০ সালের জৈষ্ঠ্য মাস (১৮৭৩ _ ৭৪)। অমাবস্যার রাত। সেদিন ফলহারিনী কালীপুজো। বাইরে চারদিকে নিকষ কালো। ঝিঝি পোকার ডাক। জোনাকি পোকার মিটিমিটি আলো। গঙ্গার পাড়ে ঢেউ-এর ঠুস ঠাস শব্দ। অন্ধকারে রঙ্গন ও কৃষ্ণেচূড়ার ফুল যেন আগুনরাঙা। রজনীগন্ধার সুবাস। বেলফুলের মিষ্টি গন্ধ। মল্লিকা করবী ফুলের চাপা সুঘ্রান। পঞ্চবটির পাতার শির শির আওয়াজ । প্রকৃতি নিস্তব্ধ। শ্রীরামকৃষ্ণের ইচ্ছায় তাঁর ঘরে কালিকাদেবীর বিশেষ পূজার আয়োজন। হৃদয় ও দীনু পুজারী পূজার সব আয়োজন করেছেন শ্রীরামকৃষ্ণের নির্দেশে। মন্দিরে মা ভবতারিণীর পূজো ------ আর শ্রীরামকৃষ্ণের ঘরে চিন্ময়ীর পূজো। কোনও মাটির বা ধাতব মূর্তি নেই।
শ্রীশ্রীমাকে আগেই তাঁর ঘরে আসার জন্য বলে রেখেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। ঠিক রাত ন-টায় এলেন শ্রীশ্রীমা। শ্রীরামকৃষ্ণের ইঙ্গিতে আলপনা দেওয়া পিড়িতে বসলেন। শ্রীশ্রীমার মুখ উত্তর দিকে। দিব্যভাবে ভাবিত তিনি। ঘটের জল মন্ত্রপুত রেখেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। পূজার উপকরণ শুদ্ধি করে শ্রীরামকৃষ্ণ জগদম্ভার পূজো আরম্ভ করলেন। পূজো দেখতে দেখতে শ্রীশ্রীমার ভাব হল, বাহ্যজগৎ প্রায় লুপ্ত হল। মন্ত্রপুত ঘটের জল দিয়ে শ্রীরামকৃষ্ণ বারবার অভিযেক করলেন মাকে। মন্ত্র শোনালেন তাকে। প্রার্থনা করলেন___" হে সর্বশক্তির অধীশ্বরী মাত: ত্রিপুরাসুন্দরী, সিদ্ধিদ্বার উন্মুক্ত কর, শ্রীশ্রীমায়ের শরীর মনকে পবিত্র করে এতে আবির্ভূতা হয়ে সর্বকল্যান কর।" পরে শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীশ্রীমায়ের অঙ্গে মন্ত্রসকলের যথাবিধি ন্যাস করে সাক্ষাৎ দেবীঞ্জানে তাকে ষোড়শোপাচারে পুজা করলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীশ্রীমায়ের পদযুগলে অলতা আর কপালে সিদুঁর দিলেন।
পরিয়ে দিলেন নতুন শাড়ি। নিবেদিত হল ভোগ, ফল, মিষ্টি, জল, পান। মিষ্টি শ্রীরামকৃষ্ণ নিজহাতে খাইয়ে দিলেন মাকে শ্রীশ্রীমা ভাব রাজ্যে অরূঢ় হয়ে শ্রীরামকৃষ্ণের পূজা গ্রহন করলেন। শ্রীশ্রীমা ভাবে আরও ভরপুর হয়ে গেলেন। সমাধিস্থ---- স্থির---- বাহ্যজগতে আর মন নেই। শ্রীরামকৃষ্ণও সমাধিস্থ।পূজ্য ও পূজক উভয়েই হলেন আত্মস্বরূপে পূর্ণভাবে একীভূত। ঘর প্রদীপের আলোয় ময়াময়। মধ্যরাত্রির পর শ্রীরামকৃষ্ণ সমাধি থেকে এলেন অর্ধবাহ্যদশায়। আত্ম নিবেদন করলেন শ্রীশ্রীমাকে। বারো বছরের নিজ সাধনার ফল, জপের মালা, বৈষ্ণব সাধনকালের তুলসির মালা ও মালার ঝুলি, ওন্ত্রমতে সাধনসময়ের রক্তবসন ও রুদ্রাক্ষমালা, সখীভাব সাধনের সিল্কের কাচুলি, ওড়না প্রভৃতি সব দিয়ে দিলেন শ্রীশ্রীমাকে। দেওয়ার সময় তিনি শ্রীশ্রীমাকে প্রনাম করে প্রার্থনা করলেন " হে সর্বমঙ্গলে মঙ্গলস্বরূপে, হে সর্বকর্মনিষ্পন্নকারিনী, হে শরণদায়িনী, ত্রিনয়নী, শিবগেহেনি গৌরি, হে নারায়নী____ তোমাকে প্রনাম করি।" পূজা শেষ হল। মূর্তিমতী বিদ্যারুপিনী মানবীর দেহাবল্মবনে ঈশ্বরীয় উপাসনাপূর্ন সাধনার পরিসমাপ্তি হল। তার দেব-মানবত্ব সর্বতোভাবে সম্পূর্ণতা লাভ করল। পরবর্তী কালে শ্রীশ্রীমা স্বয়ং বলেছেন " আমি তখন যেন কী রকম হয়ে গেছলুম।"
এইদিন "আত্মনো মোক্ষার্থং জগদ্ধিতায়" উৎসর্গিকৃত ভাবী শ্রীরামকৃষ্ণ সঙ্গের অধিষ্ঠাত্রী দেবীরূপে শ্রীশ্রীমাকে অধিষ্ঠিত করলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। এবার থেকে শ্রীশ্রীমা সতত সর্বকল্যান করবেন -------- এই ষোড়শী পূজোর দিন থেকে সূচনা হয়েছিল। শ্রীশ্রীমায়ের ওপর "ভার" অর্পিত করে শ্রীরামকৃষ্ণ পরম নিশ্চিত হলেন। শ্রীরামকৃষ্ণের ' সে ভার' আজও পালন করে যাচ্ছেন শ্রীশ্রীমা।
শ্রীরামকৃষ্ণের ষোড়শী পূজোর আর একটি ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি আছে। এক ::: শ্রীশ্রীমা রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের অধিষ্ঠিত্রী দেবী। তাই রামকৃষ্ণ সঙ্ঘে দেবদেবীর বৈদিক ও তান্ত্রিক পূজায় শ্রীশ্রীমায়ের নামে সঙ্কল্প হয়। আমরা জানি প্রতি পূজোয় বিধি আছে পূজারম্ভের আগে সংকল্প করা। তাই রামকৃষ্ণ সংঘাধক্ষ বা আশ্রম অধ্যক্ষের নামে কোনও পূজায় সংকল্প হয় না ----- সংকল্প হয় শ্রীশ্রীমায়ের নামে। সংকল্প মন্ত্রে পূজা করার প্রর্থনা ছাড়া যেটি তাৎপর্যপূর্ন, তা হল জগতের মঙ্গলের জন্য পূজা করা। আর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সন্ন্যাসীদের জন্য ঞ্জান, বৈরাগ্য, ভক্তি-বিশ্বাসের জন্য প্রার্থনা করা। রামকৃষ্ণ সংঘে শ্রীশ্রীমা জীবন্ত অধিষ্ঠাত্রী দেবী----- তিনি সংঘজননী, সংঘপালনকর্তী , সংঘরক্ষাকর্তী, সংঘঅভয়দাত্রী। দক্ষিণেশ্বরে ষোড়শীপুজোর দিন শ্রীরামকৃষ্ণ এই অভিনব আধ্যাত্মিক ইতিহাস সৃষ্টি করে গেলেন। দুই ::: অষ্টম শতকে আচার্য শঙ্কর ভারতের সন্ন্যাসী সপ্রদায়কে দশটি নামে ভাগ করেন। ভারতের চার প্রান্তে চারটি মঠ তৈরি করেন ______ পুবে গোবর্ধন মঠ, পশ্চিমে দ্বারকা মঠ (শারদামঠ), উত্তরে বদরিকাশ্রম (জ্যোতির্মঠ) এবং দক্ষিনে শৃঙ্গেরী মঠ। চার মঠের পরিচালনার ভার পড়ে তার চার প্রধান শিষ্যের উপর। প্রত্যেক মঠের অধীনে কোন সন্ন্যাসী সম্প্রদায় থাকবে ------ তার বিভাগ করে ভারতের সন্ন্যাসী সংঘকে স্থায়ী ভিত্তির উপর স্থাপন করেন। শৃঙ্গারী মঠের অধীন পুরী সম্প্রদায়।
শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাস গুরু তোতাপুরী। তোতাপুরী পরম্পরায় রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সন্ন্যাসীবৃন্দ । পুরী সম্প্রদায় শৃঙ্গারী মঠের অন্তর্ভুক্ত। শৃঙ্গারী মঠের অধিষ্ঠাত্রী দেবী কমাক্ষী। কামাক্ষী মন্দির রয়েছে কাঞ্চিপুরমে। কামাক্ষীর অপর নাম ষোড়শী। তাঁর মূর্তি প্রতিষ্ঠিত সেখানে। কাঞ্চিপুরমে আচার্য শঙ্কর ওই দেবীকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শ্রীবিদ্যা রূপে। শ্রীবিদ্যাও ষোড়শীর অপর নাম। সেই শ্রীবিদ্যাকে আচার্য শঙ্কর শ্রীযত্নে প্রতিষ্ঠা করলেন শৃঙ্গারী মঠে। আর বর্তমান যুগে শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীবিদ্যাকে প্রতিষ্ঠা করলেন শ্রীশ্রীমা সারদাদেবীর জীবন্ত মূর্তিতে ভাবী রামকৃষ্ণ সংঘকে সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালিত করার জন্য। এই জন্য রামকৃষ্ণ সংঘে ফলহারিনী কালীপুজোর দিন ষোড়শী পূজো এক আধ্যাত্মিকতামন্ডিত ঐতিহাসিক দিন।
ঐ দিন ১৮টি কলা ও ৫টি ফল, ফুল, ক্ষিরের মিষ্টি , বস্ত্র ও দক্ষিনা সহ কোনও কালী মন্দিরে পূজো দেওয়া উচিত। মনের যে কোনও একটি ইচ্ছা পূরণ করতে মা কালীর চরণে একটি ফল দিয়ে আর সারা বছর ঐ ফল আর খাবেন না। এ ছাড়াও মা কালীর মন্দিরে পাঁচটি ফল দিন। মাতৃস্থানীয়া কোনও মহিলাকে পাঁচটি ফল দিন আর প্রনাম করে আশীর্বাদ নিন। আর্থিক সঙ্কট দূর করার জন্য মা কালীর মন্দিরে ক্ষীর দিয়ে পূজো দিন। ক্ষীরের অভাবে ক্ষীরের প্যারা দিয়েও পূজো দিতে পারেন। পাশাপাশি একটি সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বেলে দিতে ভুলবেন না কিন্ত।












No comments:
Post a Comment