আলমবাজার মঠ, আলমবাজার, অশোকগড়, কলকাতা - ৩৫.
শ্রী রামকৃষ্ণ ভাবধারায় অনুপ্রাণিত মঠগুলির মধ্যে এটি দ্বিতীয় মঠ। ১৮৯২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮৯৮ সাল পর্যন্ত এটিই প্রধান কার্যালয় ছিল। এরপর প্রধান কার্যালয় বেলুড়ে স্থানান্তরিত হয়।
শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের অসুস্থতার কারণে কাশীপুরের একটি উদ্যান সহ বাড়ি মাসিক ৮০ টাকায় নেওয়া হয়েছিল। এই বাড়িতে থাকাকালীন ১৮৮৬ সালের ১ লা জানুয়ারি অসুস্থ শ্রী রামকৃষ্ণ তাঁর গৃহী ভক্তদের জন্য ভক্তদের সামনে কল্পতরু হন। আর এই বাড়িতে ১৮৮৬ সালের ১৬ আগস্ট মৃত্যু হয় শ্রী রামকৃষ্ণদেবের। তার অল্প কিছু দিন পরেই শ্রী রামকৃষ্ণদেবের " পূতাসথি" নিয়ে শিষ্যরা চলে আসেন বরানগরের একটি বাড়িতে যা পরে বরানগর মঠ নামে পরিচিত হয়। এই বাড়ি থেকে বিবেকানন্দ ভারত ভ্রমনে বেরোন, পরে চলে যান শিকাগো।
এরই কিছুকাল পরে কলকাতায় থাকা শ্রী রামকৃষ্ণদেবের অন্যান্য শিষ্যরা বরাহনগরের ঐ বাড়ি ছেড়ে দিয়ে আলমবাজার অঞ্চলে রামচন্দ্র বাগচি লেনে একটি " ভূতুড়ে বাড়ি"-তে উঠে আসেন সাধন ভজনের জন্য। আমেরিকা ও ইউরোপ ভ্রমণ শেষে ১৮৯৭-এর ১৯ শে ফেব্রুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতায় ফিরে আলমবাজারের ঐ বাড়িতে ওঠেন। সে বাড়িই আজ আলমবাজার মঠ নামে পরিচিত।পরে এই মঠ বিস্মিতির আড়ালে চলে যায়। ১৯৬৮তে স্বামী অভেদানন্দের শিষ্য স্বামী সত্যানন্দ বাড়িটির খানিকটা অংশ উদ্ধার করে শ্রী রামকৃষ্ণদেবের নিত্যসেবা, পূজা ও জনকল্যাণমূলক কাজ আরম্ভ করেন। বর্তমানে ভারত সরকার এটিকে জাতীয় স্মারক হিসেবে ঘোষণা করেছেন ও বাড়িটি সম্পূর্ণ ভাবে উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং এখানে সরকারি সাহায্যের মাধ্যমে VIVEKANANDA CENTER FOR SPIRITUAL CULTURE স্থাপন করা হবে বলে স্থির করা হয়েছে।
শ্রী রামকৃষ্ণ ভাবধারায় অনুপ্রাণিত মঠগুলির মধ্যে এটি দ্বিতীয় মঠ। ১৮৯২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮৯৮ সাল পর্যন্ত এটিই প্রধান কার্যালয় ছিল। এরপর প্রধান কার্যালয় বেলুড়ে স্থানান্তরিত হয়।
শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের অসুস্থতার কারণে কাশীপুরের একটি উদ্যান সহ বাড়ি মাসিক ৮০ টাকায় নেওয়া হয়েছিল। এই বাড়িতে থাকাকালীন ১৮৮৬ সালের ১ লা জানুয়ারি অসুস্থ শ্রী রামকৃষ্ণ তাঁর গৃহী ভক্তদের জন্য ভক্তদের সামনে কল্পতরু হন। আর এই বাড়িতে ১৮৮৬ সালের ১৬ আগস্ট মৃত্যু হয় শ্রী রামকৃষ্ণদেবের। তার অল্প কিছু দিন পরেই শ্রী রামকৃষ্ণদেবের " পূতাসথি" নিয়ে শিষ্যরা চলে আসেন বরানগরের একটি বাড়িতে যা পরে বরানগর মঠ নামে পরিচিত হয়। এই বাড়ি থেকে বিবেকানন্দ ভারত ভ্রমনে বেরোন, পরে চলে যান শিকাগো।
এরই কিছুকাল পরে কলকাতায় থাকা শ্রী রামকৃষ্ণদেবের অন্যান্য শিষ্যরা বরাহনগরের ঐ বাড়ি ছেড়ে দিয়ে আলমবাজার অঞ্চলে রামচন্দ্র বাগচি লেনে একটি " ভূতুড়ে বাড়ি"-তে উঠে আসেন সাধন ভজনের জন্য। আমেরিকা ও ইউরোপ ভ্রমণ শেষে ১৮৯৭-এর ১৯ শে ফেব্রুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতায় ফিরে আলমবাজারের ঐ বাড়িতে ওঠেন। সে বাড়িই আজ আলমবাজার মঠ নামে পরিচিত।পরে এই মঠ বিস্মিতির আড়ালে চলে যায়। ১৯৬৮তে স্বামী অভেদানন্দের শিষ্য স্বামী সত্যানন্দ বাড়িটির খানিকটা অংশ উদ্ধার করে শ্রী রামকৃষ্ণদেবের নিত্যসেবা, পূজা ও জনকল্যাণমূলক কাজ আরম্ভ করেন। বর্তমানে ভারত সরকার এটিকে জাতীয় স্মারক হিসেবে ঘোষণা করেছেন ও বাড়িটি সম্পূর্ণ ভাবে উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং এখানে সরকারি সাহায্যের মাধ্যমে VIVEKANANDA CENTER FOR SPIRITUAL CULTURE স্থাপন করা হবে বলে স্থির করা হয়েছে।











No comments:
Post a Comment